পচেফস্ট্রুমের এই মাঠেই ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ছয় বছর পর একই ভেন্যুতে ফিরে এবার আরও বড় কীর্তি গড়লেন হৃদয়। বিদেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের এটাই প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি।
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ৫১২ রানের বিশাল সংগ্রহের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ৩৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল বাংলাদেশ ‘এ’। সেখান থেকেই শেষ দিনে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেন হৃদয়। আগের দিন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন তিনি। চতুর্থ দিনে সেই ইনিংসকে নিয়ে গেলেন অবিশ্বাস্য ৩০০ রানের মাইলফলকে।
হৃদয়ের এই মহাকাব্যিক ইনিংসের পথে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন জাকের আলী। পঞ্চম উইকেটে দুজনের ১৫১ রানের জুটি বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখায়। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন জাকের; ১৬৮ বলে করেন ৯৪ রান। এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে হৃদয়ের ১৮৫ রানের জুটি বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেয়। সাইফউদ্দিন করেন ১৭১ বলে ৮৭ রান।
এই ইনিংসের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন হৃদয়। এর আগে ২০০৩ সালে করাচিতে ডিফেন্স হাউজিং কমিটির বিপক্ষে শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতের ২১৮ রান ছিল ‘এ’ দলের সর্বোচ্চ।
বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা ব্যাটারদের তালিকায় হৃদয় তৃতীয়। এর আগে তামিম ইকবাল ৩৩৪ এবং রাকিবুল হাসান ৩১৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তবে দেশের বাইরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ৩০০ রানের মাইলফলক ছোঁয়া প্রথম ব্যাটার এখন তাওহীদ হৃদয়।
বসির আহমেদ