বাজার বিশ্লেষক রস নরম্যান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘স্বর্ণের বাজার গতি ফিরে পেতে লড়াই করছে। এফওএমসি বৈঠকের পর ডলার সূচকে বড় পতনের পর এটি আবার সামান্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যা মূলত স্বর্ণের আলো কিছুটা ম্লান করে দিয়েছে।’
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ পতনের পর ডলারের সূচক ০ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহারকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।
গত বুধবার (২৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত নীতি নির্ধারণী বৈঠকে ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখে। অন্যদিকে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কেভিন ওয়ার্শ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করলেও তা বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ফেলে দেয়।
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৮০ শতাংশের বেশি।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৩৮ দশমিক ৭৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৮৯ দশমিক ৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বসির আহমেদ