মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে সীমান্ত পিলার ৯০৭/২-এসের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তের শূন্য লাইনে গরু চড়ানোকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলীমারী ক্যাম্পের তিন সদস্যের সঙ্গে স্থানীয়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিজিবিকে না জানিয়েই বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
বিষয়টি স্থানীয়রা বিজিবিকে জানালে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিএসএফ সদস্যরা দুটি শর্টগান ও একটি ওয়াকিটকি ফেলে ভারতের দিকে চলে যান বলে জানায় বিজিবি।
খবর পেয়ে ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি টহলদল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফেলে যাওয়া দুটি শর্টগান ও একটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করে।
পরে ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার কারণ জানতে চান। একই সঙ্গে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সীমান্ত পিলার ৯০৭/৪-এসের কাছে দুই বাহিনীর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বৈঠক শেষে উদ্ধার করা দুটি শর্টগান ও একটি ওয়াকিটকি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বসির আহমেদ