ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বন্দরে আটকে থাকা ১২৬ কনটেইনারের পচনশীল পণ্য ধ্বংস শুরু

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 27, 2026 ইং
বন্দরে আটকে থাকা ১২৬ কনটেইনারের পচনশীল পণ্য ধ্বংস শুরু ছবির ক্যাপশন:
ad728

কাস্টমস হাউস সূত্র জানায়, কার্যক্রমের প্রথম দিনে ১০টি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। বন্দরের রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে এসব পণ্য ধ্বংসের কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কনটেইনারের পণ্যও ধ্বংস করা হবে। পুরো কার্যক্রম শেষ করতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ১২৬টি কনটেইনারে থাকা পণ্যের মধ্যে ৩৪টি কনটেইনারে রয়েছে ৯৩৫ টন নিম্নমানের খেজুর। এ ছাড়া ৪০টি কনটেইনারে রয়েছে ১ হাজার ২ টন মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী সোডা অ্যাশ। ১৮টি কনটেইনারে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোন এবং আটটি কনটেইনারে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ বেনটোনাইট পাউডার। এছাড়া এসব কনটেইনারে পচা কমলা, নষ্ট পেঁয়াজ, নষ্ট কাজুবাদাম, ফুড স্টাফসহ বিভিন্ন ধরনের পচনশীল ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে এসব পণ্য বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা আটকে ছিল, অন্যদিকে কনটেইনার ওঠানামা ও পণ্য খালাসের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছিল। আমদানিকারকদের লোকসান, পুঁজি হারানো এবং রপ্তানিকারকের প্রতারণাসহ নানা কারণে এসব পণ্য বন্দর থেকে খালাস করা হয়নি বলে জানা গেছে।

পণ্যগুলো ধ্বংসের ফলে বন্দরের জায়গা খালি হবে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন জায়গা তৈরি হবে। পাশাপাশি কনটেইনার ওঠানামার কাজও আরও সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বলেন, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। ১২৬টি কনটেইনারে থাকা এসব পণ্যের মোট পরিমাণ ৩ হাজার ২২৬ টন। কার্যক্রমের প্রথম দিনে ১০টি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কনটেইনারের পণ্যও ধ্বংস করা হবে।

তিনি জানান, সব পণ্য ধ্বংস করতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ডাইনছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ

ডাইনছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ