ওসি সফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ ও ক্রাইমসিন টিম কাজ করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এর আগে, গত ২৯ আগস্ট রাতে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কথিত প্রেমিক মো. জুয়েলের মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন সোনিয়া আক্তার নামে এক যৌনকর্মী। পরে তাকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়।
নিহত সোনিয়া আক্তার দৌলতদিয়া যৌ'নপল্লীর বাড়িওয়ালা তোফাজ্জেল হোসেন তপুর বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন। এ ঘটনায় তোফাজ্জেল হোসেন তপু বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি অজ্ঞাতনামা মামলা দায়ের করেন।
পরে পুলিশ মো. জুয়েল (৩৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করে। তিনি গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. লোকমান হোসেন শেখের ছেলে।
সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর পর মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে আবারও এক যৌনকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ হাসি নামের ওই যৌনকর্মীর মত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষে জানা যাবে।
বসির আহমেদ