রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাত ২টার দিকে (জিএমটি রাত ১টা) নৌকা দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসপিন এমপুতু রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এমপুতু জানান, নদীতে চলাচলরত দুটি নৌযানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর একটি ছিল কিনশাসা থেকে এমবান্দাকা রুটে চলাচলকারী বাণিজ্যিক নৌকা। অন্যটি যাত্রীবাহী নৌযান, যা মঙ্গালা প্রদেশ থেকে কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল।
সংঘর্ষের পর যাত্রীবাহী নৌকাটি ডুবে যায়। নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় নৌযানটিতে ১৬৩ জন যাত্রী ছিলেন।
প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করে দাফন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আরও কয়েকজনের মরদেহ অন্য কোথাও ভেসে গিয়ে বা চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ডুবে যাওয়া নৌযানটি এখনো নদীর প্রায় ১২ মিটার গভীরে নিমজ্জিত রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌযানটি উদ্ধারে অভিযান চলছিল।
ডিআর কঙ্গোর পশ্চিমাঞ্চলের বহু শহর ও জনপদ কঙ্গো নদীর তীরবর্তী হওয়ায় নৌপথই মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তবে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, নৌযানের দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণসহ নানা কারণে দেশটিতে নৌদুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের সন্ধান ও ডুবে যাওয়া নৌযান উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট
বসির আহমেদ