সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর সকালে বিইআরসিতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এ আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতেই ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার সকালে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ওই বৈঠক থেকে জানানো হয়, জনগণকে জিম্মি করে এলপিজি সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল ব্যবসায়ী সমিতি। গত ১২ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
কমিশন বাড়ানো, গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, এলপিজি ব্যবসার বিভিন্ন সমস্যা, মূল্য নির্ধারণ ও বাজারজাতকরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা চলছে। এসব দাবি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস পাওয়ায় আপাতত কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন তারা।
বসির আহমেদ