পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ :
Apr 1, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
দেশের ৬৪ জেলায় নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে বুধবার (১ এপ্রিল) ৫ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী ৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আব্দুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পর এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। এতে বলা হয়, এ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের খরচ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংগঠনের নেতারা। তারা আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। দাবি আদায়ে দেশব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: ৫ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি জেলা শহরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান। এছাড়া, ১০ এপ্রিল উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহরে শান্তিপূর্ণ আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। এদিকে, নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ চেয়েছে সংগঠনটি। রবিবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। সংগঠনের ১০ দফা দাবি: সংগঠনটির উত্থাপিত দাবিগুলো হলো— ১. অবিলম্বে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন। ২. সার্ভিস বেনিফিটসহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল। ৩. ব্লক পোস্ট সমস্যা সমাধান ও পদোন্নতির সুযোগ বৃদ্ধি। ৪. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৫. দক্ষতা ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধি। ৬. স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা।
৭. সমন্বিত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালু করা। ৮. জীবনযাত্রা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৯. প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার করা ও
১০. স্থানান্তর ও পোস্টিং নীতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে ২১ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
বসির আহমেদ
কমেন্ট বক্স