বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মিরপুরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে এসে বিপিএল নিয়েও কথা বলেন তামিম।
সেখানে প্রশ্ন ছিল এ বছর বিপিএল করার জন্য বোর্ডের হাতে যথেষ্ট সময় আছে কি না? উত্তরে তামিম বলেন- আই ডোন্ট থিংক সো। এ বছর বিপিএল হবে না। টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য বোর্ডের হাতে যথেষ্ট সময় নেই বলেই তার এমন সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস বিপিএল। এবার বিপিএল না হলে খেলোয়াড়েরা যে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, সেটিও মাথায় আছে তামিমের। তিনি বলেন, আমি খেলোয়াড় থাকলে নিজেও হতাশ হতাম। তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে এটা আমি অস্বীকার করি না। কিন্তু তারাও বোঝে যে এই টুর্নামেন্টটা এমন হওয়া উচিত, যা নিয়ে বিসিবি গর্ব করতে পারে। গত কয়েক বছরে যা হয়েছে তা নিয়ে কি আমরা গর্বিত? হয়তো না।
বিপিএল আয়োজনের ক্ষেত্রে তার সঙ্গে খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতের মিল আছে বলে মনে করেন তামিম। তার ভাষায়, খেলোয়াড়রাও একমত যে জিনিসটা সুন্দরভাবে হওয়া উচিত। যুক্তি আলাদা হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে মূল বিষয় হলো টুর্নামেন্টটা ঠিকঠাক চালানো। বিপিএল একটা গ্রেট প্রোডাক্ট আর এটা নিয়ে প্রচুর আগ্রহ আছে। এটাকে ঠিকঠাক করতে পারলে আগ্রহ আরও বাড়বে।
বিপিএলের শুরু থেকেই পারিশ্রমিক নিয়ে জটিলতা, ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি পরিশোধে অনিয়ম, সম্প্রচার সংক্রান্ত সমস্যাসহ নানা কারণে টুর্নামেন্টটি সমালোচিত হয়েছে। গত দুই আসরের বিপিএল আয়োজন করে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তামিম। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার আগে বিপিএল আয়োজন করতে চান না বলে জানিয়ে আসছেন তিনি।
বসির আহমেদ