ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে বেকারত্ব দূর হবে মোংলা উপকূলে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 20, 2026 ইং
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে বেকারত্ব দূর হবে মোংলা উপকূলে ছবির ক্যাপশন:
ad728

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় গেলো ২৫ জুন বেইজিংয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিসিইসিসি)—এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। যার আওতায়,  মোংলা বন্দর সংলগ্ন ১১০ একর জমির ওপর ‘চীন—বাংলাদেশ মোংলা বন্দর অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। চুক্তি হওয়া  চীনের ওই অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ এলাকা ১৬ আগষ্ট  পরিদর্শন করেন, জ্বালানি মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা,নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী এবং বিডার চেয়ারম্যান।  এসময়  নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ কাজ আগামী অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিক শুরু হবে। এখানে মোট ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে জানান তিনি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিউল হক জানান, মোংলা বন্দরে  অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যে চুক্তি সই হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিনিয়োগ কৌশলে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশ এখন চীনের বড় ধরনের বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় মোংলা বন্দর কে ঘিরে  আগামীতে আরো চীনা বিনিয়োগ বাড়বে। এতে করে মোংলা উপকুলে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে। দূর হবে বেকারত্ব। এর জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।  

মোংলা বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার জন্য চীনের সাথে চুক্তি মোংলা বন্দরের জন্য বড় আর্জন। কারণ, এর মাধ্যমে বন্দরে চীনা বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের সুদৃষ্টি থাকলে মোংলা বন্দর ও বন্দর সংশ্লিষ্ট শিল্পাঞ্চলে  বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এতে করে বন্দরে কর্মযজ্ঞ  বৃদ্ধি পাবে। বাড়বে  সরকারের রাজস্ব আয়। তবে বন্দরের নাব্যতা সংকটসহ নানা প্রতিবন্ধকতা দুর করতে হবে।

২০১৫ সালে শুরু হওয়া এক দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের আওতায়  চীনকে দেওয়া এই জমিটি আগে ভারতের অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ভারত সরকারের মনোনীত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি উন্নয়নের কাজ শুরু করতে ব্যর্থ হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পটি অবাস্তবায়িতই থেকে যায়। বেজার কর্মকর্তাদের মতে, চুক্তিতে নির্ধারিত দুই বছরের মধ্যে ভারতীয় ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটি ভূমি উন্নয়নের মূল কাজ শুরুই করতে পারেনি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই প্রকল্পটিকে তালিকাচ্যুত বা বাতিল করে।  


নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়লো আরো দুই ট্যাংকার

বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়লো আরো দুই ট্যাংকার