অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছে ক্লাবটি। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ট্যাক্স ও সোশ্যাল সিকিউরিটি বাবদ রিয়াল মাদ্রিদ মোট ৩৫৪.৮ মিলিয়ন ইউরো রাষ্ট্রীয় রাজকোষে অবদান রেখেছে।
রেকর্ড আয় ও প্রবৃদ্ধি:
-গত অর্থবছরের (২০২৪-২০২৫) তুলনায় আয় বেড়েছে ৩৬ মিলিয়ন ইউরো বা ৩.১%। -সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম থেকে আয় ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে। -নতুন স্পন্সরশিপ চুক্তি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় ১৭% বেড়েছে। -লা লিগা ও কোপা দেল রে-র সম্প্রচার স্বত্ব (TV Revenue) বেড়েছে ৩%।
সর্বকালের সর্বোচ্চ ইবিআইটিডিএ (EBITDA / পরিচালন মুনাফা):
-প্লেয়ার বিক্রি ছাড়া অপারেটিং প্রফিট দাঁড়ায় ২৪৩ মিলিয়ন ইউরো। -খেলোয়াড় বিক্রির মুনাফাসহ মোট ইবিআইটিডিএ (EBITDA) দাঁড়িয়েছে ২৮৭ মিলিয়ন ইউরো, যা ক্লাবের ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
কর পরবর্তী নিট মুনাফা:
সব ধরনের কর ও ব্যয় মেটানোর পর ক্লাবের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৬ মিলিয়ন ইউরো (যা আগের বছরের চেয়ে ৮% বেশি)। ২০০০ সাল থেকে টানা প্রতি বছর লাভে থাকার ধারা বজায় রেখেছে তারা।
আর্থিক শৃঙ্খলা ও ঋণের পরিমাণ:
-ক্লাবের বেতন-রাজস্ব অনুপাত ছিল ৪৬% (যা আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাগুলোর নির্ধারিত নিরাপদ সীমা ৫০% এর নিচে)। -স্টেডিয়াম সংস্কার প্রকল্প বাদ দিলে ক্লাবের নিট ঋণ মাত্র ৯ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে (গত বছর যা ছিল ১২ মিলিয়ন ইউরো)।
স্টেডিয়াম সংস্কার ও জাতীয় কোষাগারে অবদান:
-বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের আধুনিকায়নে এখন পর্যন্ত ১,৪০৮ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করা হয়েছে। -২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে স্পেন সরকারের রাজকোষ ও সামাজিক নিরাপত্তায় মোট ৩৫৪.৮ মিলিয়ন ইউরো কর প্রদান করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
বসির আহমেদ