কোচ জানান, দীর্ঘ অনুশীলনের মাধ্যমে দলের ফুটবলারদের মান ভালোভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়েছে। কেবল বর্তমান প্রতিযোগিতা নয়, বরং অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলের আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চারটিরও বেশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে দল। প্রতিটি ম্যাচ থেকে খেলোয়াড়েরা শারীরিক শক্তি, কৌশলগত অবস্থান এবং চাপের মুখে খেলার ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি বা পিচ যা-ই হোক না কেন, সেটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে খেলোয়াড়দের স্ট্যামিনা ও ভারসাম্য বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন কোচ। তিনি বলেন, লক্ষ্য একটাই—ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে দেশের জন্য সেরাটা দেওয়া এবং জয় ছিনিয়ে আনা।
কোচের ভাষ্যমতে, দলে নতুন যোগ দেওয়া খেলোয়াড় এডাম আব্বাস অত্যন্ত পেশাদার, নম্র এবং শেখার মানসিকতাসম্পন্ন একজন ফুটবলার। তাকে একজন দক্ষ খেলোয়াড় ও গোলদাতা হিসেবে তৈরি করার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে।
আসন্ন এএফসি এশিয়ান কাপ টুর্নামেন্টসহ বড় মঞ্চে ভালো করাই দলের মূল লক্ষ্য। কোচ ও সব খেলোয়াড়ের মধ্যে অসাধারণ সমঝোতা রয়েছে উল্লেখ করে এডাম আরও বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর পরিশ্রমের ধারা বজায় রাখলে জাতীয় ফুটবল দল দেশকে বড় সফলতা এনে দিতে পারবে।
ইংল্যান্ড থেকে ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার এডাম আব্বাস। ১৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মূল পজিশন রাইট উইঙ্গার। তবে প্রয়োজনে তিনি সেন্টার ফরোয়ার্ড কিংবা নম্বর ৯ হিসেবেও খেলতে পারেন। আর সবচেয়ে বড় বিষয়—ইংল্যান্ডের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও বার্নলির যুব পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
বসির আহমেদ