মোশাররফ ঢালী জানান, রাতে মা-বাবার সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিলো তানজিম। রাত ২টার দিকে সে চিৎকার করে কান্না শুরু করে। এতে তাদের ঘুম ভেঙে যায় এবং শিশুটির শরীরে সাপ কামড়ানোর চিহ্ন ও বিছানার পাশে একটি বিষধর কালাস সাপ দেখতে পান তারা।
নিহত শিশুর চাচা মোস্তফা ঢালী জানান, প্রথমে তাকে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে কবিরাজকে বাড়িতে না পেয়ে এবং শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাকির হোসেন জানান, শিশুটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তিনি বলেন, বিষধর সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ বাসা থেকে নেয়া যেতে পারে, তবে অবশ্যই বিলম্ব না করে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হওয়া উচিত।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, একবার কবিরাজ, তারপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সেখান থেকে সামেক হাসপাতালে যাওয়ার পথে আশাশুনির বুধহাটা এলাকায় পৌঁছালে বুধবার ভোরে শিশুটির মৃত্যু হয়।
বসির আহমেদ