সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন।
নাসির উদ্দীন জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কয়েকটি আইন ও বিধি সংশোধনের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সংশোধনের প্রস্তাব তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি সরকারের সঙ্গেও কিছু বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, শুধু নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি থাকলেই হবে না, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকেও প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নতুন সরকার এসেছে। সবাই প্রস্তুত হলে তখন বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশনও প্রস্তুত। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নির্বাচনে যেতে হবে। সে অনুযায়ী কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।’
নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে আবহাওয়া, বর্ষাকাল, বন্যা, পূজা ও পাবলিক পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সম্প্রতি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য পুলিশের প্রস্তুতি, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কতসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা সম্ভব—এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন। এ সময় পুলিশকে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সিইসি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন যেভাবে পরিচালনা করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালো হবে; খারাপ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সবার সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন সফলভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বসির আহমেদ