ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের ৩৩ ক্যাম্পে ১২ লাখ রোহিঙ্গার অনিশ্চিত জীবন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 25, 2026 ইং
কক্সবাজারের ৩৩ ক্যাম্পে ১২ লাখ রোহিঙ্গার অনিশ্চিত জীবন ছবির ক্যাপশন:
ad728

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে বিশাল এই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। ২০১৭ সালের আগস্টে যেন এক পলকে বদলে যায় তাদের জীবন। মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর আক্রমণে ঘরবাড়ি, জায়গাজমি ও স্বজনদের ফেলে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে তারা। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তাদের আশ্রয়ের হাত বাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। এরপর কয়েক ধাপে দেশে আশ্রয় নেয় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়ায় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে তাদের জন্য তৈরি করা হয় ৩৩টি আশ্রয়শিবির। আশা ছিল, কিছুদিন পরই তাদের নিজ ভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু সেই সময় আজও আসেনি। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে প্রায় নয় বছর। এখনো অনিশ্চিত দিন কাটছে তাদের।

স্বদেশে ফেরার স্বপ্ন এখনো অধরা রোহিঙ্গাদের। মিয়ানমারের চলমান সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে আসায় রোহিঙ্গা সংকটে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে ক্যাম্পে অবস্থানের কারণে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে আশ্রয়শিবিরের বাইরে রোহিঙ্গাদের চলাচলও বেড়েছে। জমি দখল, মাদক বিক্রি, অপহরণ ও অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অপরাধে তাদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তালিকা প্রস্তুতসহ কিছু দৃশ্যমান উদ্যোগ নিয়েছে মিয়ানমার। তবে এসব উদ্যোগকে টালবাহানা বলে দাবি করছেন রোহিঙ্গা নেতারা।

এ বিষয়ে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার কারণে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে। তবে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সেবা নিশ্চিত করতে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দিন দিন বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি ও সংকটে পরিণত হচ্ছে। তাই দ্রুত ও টেকসইভাবে এ সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ সংশ্লিষ্ট সবার।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স
দিল্লিতে বিক্ষোভ : মোদির ভিডিওবার্তা, অনশন ভেঙেছেন সোনম ওয়াং

দিল্লিতে বিক্ষোভ : মোদির ভিডিওবার্তা, অনশন ভেঙেছেন সোনম ওয়াং