আইআরজিসির দাবি, হামলায় মার্কিন বাহিনীর প্রযুক্তিগত ও কারিগরি অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ইরানের এই বাহিনী অভিযানটিকে ‘আগ্রাসী শক্তির জন্য শাস্তি’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, আগ্রাসন ও অপরাধ চালিয়ে ইরানকে দুর্বল করা যাবে না। ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিটি হামলার জবাব আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসীভাবে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এর আগে রোববার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ওই হামলার পরই জর্ডানে মার্কিন সামরিক অবস্থানে ইরানের পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে।
এদিকে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইরানের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা-পাল্টা হামলা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বসির আহমেদ