বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে পালং মডেল থানার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রে ব্যক্তিরা হলেন—আতাহার মাদবর (৩৬), সুমন সরদার (৩০), মো. রুবেল বেপারি (৩০), মো. সাগর খলিফা (২৮), শিপলু খান (৪৫) ও স্বর্ণালংকার বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সুস্মিতা শিল্পালয়ের মালিক সুমন পাল।
পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর গলিফা কান্দি এলাকার মিজান শেখ তার মাকে নিয়ে ঢাকায় যান। পরে ২৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার দিকে তার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।
মামলার পর পালং মডেল থানার চিকন্দি পুলিশ ফাঁড়ির একটি অভিযানিক দল শৌলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে। পরে গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ভোরে শৌলপাড়া বাজার ও গঙ্গানগর বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয় এবং স্বর্ণালংকার বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সুস্মিতা শিল্পালয়ের মালিক সুমন পালকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, এ মামলার আরেক আসামি রবিন খলিফা পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ‘আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার ছয় আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পলাতক আসামিকে গ্রেফতার ও বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
বসির আহমেদ