বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক শুভেচ্ছা বার্তায় অ্যাটর্নি জেনারেল এ অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগসংক্রান্ত অবশিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, নবনিযুক্ত বিচারকরা অতি শিগগিরই বিচারিক দায়িত্বে যোগ দেবেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘তাদের প্রতি আমাদের একটাই প্রত্যাশা- সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন চাহিদাকৃত ১০০ জনের পরিবর্তে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে।
একই সঙ্গে পরবর্তী বিজেএস পরীক্ষার কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে ১৯তম বিজেএসের কার্যক্রম শুরু হবে। এবারও অধিকসংখ্যক বিচারক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের একজন সদস্য। বিচার বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিচারকের স্বল্পতা দূরীকরণ এবং জনগণের জন্য দ্রুত ও দক্ষ বিচারসেবা নিশ্চিত করার এ গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া তার জন্য একই সঙ্গে দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ধারাবাহিক, দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে বিচারকের স্বল্পতা ক্রমান্বয়ে দূর হবে। একই সঙ্গে একটি দক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ, জনবান্ধব এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম বিচারব্যবস্থা গড়ে উঠবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
বসির আহমেদ