সাফাভির ভাষ্য, সংঘাত ইতোমধ্যে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে এর পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং ভারত মহাসাগর, এমনকি এর বাইরেও পৌঁছাতে পারে।
ইরানের এই হুঁশিয়ারির মধ্যে ইয়েমেনের হুথিদের কর্মকাণ্ডও আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াইরত হুথিরা লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব ঘিরে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান হুথিদের সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
এর আগে ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যপথগুলোর একটি এই জলপথ ঘিরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
এবারের বক্তব্যে প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন উপদেষ্টা সরাসরি ভারত মহাসাগরের কথা উল্লেখ করেছেন। ওই মহাসাগরে ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া অবস্থিত বলে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। যুদ্ধ অবসানে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে জব্দ ইরানি সম্পদ মুক্ত করাসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে তেহরান। সূত্র:
বসির আহমেদ