রাশিয়ার ইউক্রেন অভিযান শুরুর পর ২০২২ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী গ্রীষ্মকাল পার করেছে অঞ্চলটি। এরপর মস্কো ও কিয়েভ উভয়েই হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে।
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। ক্রেমলিনও বারবার জানিয়েছে, তারা পূর্ব ইউক্রেনের বাকি অংশ দখলের লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি।
ইউক্রেন জানিয়েছে, রুশ হামলায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুমি, জাপোরিঝঝিয়া ও দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে নিহত হয়েছেন অন্তত ছয়জন। নিহতদের মধ্যে দিনিপ্রোপেত্রোভস্কের এক ১৭ বছর বয়সী কিশোরীও রয়েছে।
রাজধানী কিয়েভেও হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর এক দিন আগে রুশ হামলায় সেখানে সাতজন নিহত হন। যুদ্ধের আরেকটি শীত সামনে রেখে কিয়েভে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে মস্কো বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
অন্যদিকে রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনের হামলায় ক্রাসনোদার ও বেলগোরোদ অঞ্চলে চারজন নিহত হয়েছেন।
স্কো-সমর্থিত খেরসন অঞ্চলের কর্মকর্তা ভ্লাদিমির সালদো জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্রিমিয়ার কাছে আস্কানিয়া-নোভা গ্রামের একটি ক্যাফেতে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা চালায়। ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০০৪ ও ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া দুই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই এলাকায় আরও এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।
এ ছাড়া মস্কো-নিযুক্ত জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের কর্মকর্তা ইয়েভগেনি বালিৎস্কি জানিয়েছেন, রাতের ইউক্রেনীয় হামলায় দখলকৃত অঞ্চলের আরও তিনজন নিহত হয়েছেন।
এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বলেছেন, মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি ‘হতে যাচ্ছে’। তবে অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, যুদ্ধ অবসানের সম্ভাবনা এখনো দূরের বিষয়।
বসির আহমেদ