২০২২ সালে জ্যাকসনের বাসিন্দা প্রিসিলা স্টার্লিংসহ চারজন শহর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাদের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তের কারণে শহরের পানিতে সিসা ঢুকে পড়ে। পাশাপাশি পানি নিরাপদ নয়—এমন তথ্য কর্তৃপক্ষ জানলেও তা বাসিন্দাদের যথাযথভাবে জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
মামলায় বাদীরা যুক্তি দেন, দূষিত পানির সংস্পর্শ থেকে মুক্ত থাকা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য পাওয়ার অধিকার সংবিধানের ‘বডিলি ইন্টেগ্রিটি’ বা শারীরিক অখণ্ডতার অধিকারের আওতায় পড়ে। তবে আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করেনি। বিচারকরা বলেন, অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও এগুলো এমন কোনো গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন নয়, যার ভিত্তিতে ফেডারেল মামলা করা যায়।
আদালত অবশ্য বলেছে, ক্ষতিগ্রস্তদের অন্য আইনি পথ খোলা আছে। তারা দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে, নির্বাচনের মাধ্যমে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কিংবা আইনসভায় প্রতিকার চাইতে পারেন।
জ্যাকসনের পানি সংকট নিয়ে এনএএসিপি ২০২২ সালে বৈষম্যমূলকভাবে সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনার অভিযোগে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থায় (EPA) অভিযোগও করেছিল। সংগঠনটির দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর শহরটি দীর্ঘদিন অবহেলার শিকার হয়েছে। সূত্র: মিসিসিপি টুডে
বসির আহমেদ