ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মন্ত্রীদের অযাচিত কথা নয়, জ্বালানির বিকল্প বাজার খোঁজার পরামর্শ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Mar 11, 2026 ইং
মন্ত্রীদের অযাচিত কথা নয়, জ্বালানির বিকল্প বাজার খোঁজার পরামর্শ ছবির ক্যাপশন:
ad728
ইরান যুদ্ধ স্বল্প বা দীর্ঘ যাই হোক না কেন, গরমে বিদ্যুৎ সংকট চরমে পৌঁছাবে, এমন পূর্বাভাস বিশ্লেষকদের। একই সঙ্গে চলমান জ্বালানি তেল সংকট ও বিশৃঙ্খলার জন্য সরকারের কর্তাব্যক্তিদের দায় রয়েছে বলেও মনে করেন তারা। অযাচিত কথার পরিবর্তে বিদ্যুৎমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে জনআস্থা তৈরিতে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষক ও খাতসংশ্লিষ্টরা। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কমপক্ষে তিন মাসের জ্বালানি তেল মজুদ থাকা আদর্শ। কিন্তু, বাংলাদেশের সে সক্ষমতা মাত্র ৪৫ দিনের। সেটিও নির্ভর করে আমদানি চেইনের ওপর। এ কারণেই ইরান যুদ্ধ শুরুর পরই সরবরাহ সংকটে পড়ে পুরো দেশ। দেশে পেট্রোল-অকটেন উৎপাদন হলেও সরকারের তথ্য বিভ্রাটে সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য খাতসংশ্লিষ্টদের। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিনই বাড়ছে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লার দাম। ফলে গ্যাস সরবরাহ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে। বাড়বে লোডশেডিং। মজুদ কম থাকা ও বকেয়ার কারণে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সংকট সামাল দিতে বাড়তি দামে গ্যাস-তেল আনার আপাতত কোনো বিকল্প নেই সরকারের সামনে। ফলে আগামীতে হয় ভর্তুকি বাড়াতে হবে, না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করতে হবে সরকারকে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত সাশ্রয়কে গুরুত্ব দিয়ে প্রচারণা চালাতে হবে সরকারকে। পাশাপাশি আমদানির জন্য নতুন বাজার খোঁজা, গ্যাস অনুসন্ধান এবং দ্রুত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে নতুন সরকারকে।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স