ঢাকা | বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ, আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 7, 2026 ইং
হরমুজ প্রণালি নিয়ে উদ্বেগ, আরও বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম ছবির ক্যাপশন:
ad728

এর আগে বৃহস্পতিবার তেলের ফিউচার বাজারে প্রতি ব্যারেলে ৩ ডলারের বেশি দাম বেড়ে যায়। এর পেছনে ছিল ইরানের একটি প্রস্তাবিত বিল, যেখানে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

চলমান সংঘাতের সম্ভাব্য সমাধানের আভাস পাওয়ায় সপ্তাহের শুরুতে তেলের দাম কমেছিল। তবে বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ৮০ ডলারের ওপরে উঠে যায়। এর আগে ১৩ জুলাইয়ের পর প্রথমবারের মতো এটি ৮০ ডলারের নিচে নেমেছিল। যদিও চলতি সপ্তাহে উভয় বেঞ্চমার্ক তেলের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কমার পথে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহের ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।

তিনি আরও বলেন, "বাজার কোনো খারাপ চুক্তির আশঙ্কা বিবেচনায় নিচ্ছে না; বরং এমন একটি নিয়ন্ত্রিত বা শর্তযুক্ত করিডরের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিচ্ছে, যেখানে স্বাভাবিক তেল সরবরাহ পুরোপুরি ফিরবে না।"

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, দেশটির পার্লামেন্টের একটি কমিটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও অন্যান্য শত্রুভাবাপন্ন দেশের জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করার একটি প্রাথমিক বিল পর্যালোচনা করছে। প্রস্তাবিত নিয়ম ভঙ্গ করলে পণ্যের মূল্যের ২০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করার কথাও এতে রয়েছে।

একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের পণ্য পরিবহন মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত ফি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে, ওমান প্রায় ৩ শতাংশ ফি নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের ফি আরোপের বিরোধিতা করছে।

শিল্প খাতের চারটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত কঠোর বিমা নীতির কারণে প্রস্তাবিত চুক্তি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।

তেলবাজার বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হরি বলেন, "ইরান-ওমানের সম্ভাব্য হরমুজ প্রণালি চুক্তি নিয়ে চলতি সপ্তাহের বার্তাগুলো বাজারে ব্যাপক ওঠানামা তৈরি করেছে। তবে এখনো পরিষ্কার নয়, চুক্তি চূড়ান্ত করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন।"

এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা ইয়েমেনের মারিব ও হাদরামাউত এলাকায় "সৌদি অবস্থানগুলো" লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তিনি মনে করেন চলমান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স


নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স
ঈদযাত্রা: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে চাপ বেড়েছে, নেই ভোগান্তি

ঈদযাত্রা: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে চাপ বেড়েছে, নেই ভোগান্তি