২০১৩ সালের পর এনবিআরের আয়োজনে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ পরিসরের রাজস্ব সম্মেলন। এতে এনবিআরের সদস্য, কমিশনার, মহাপরিচালকসহ কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের মাঠপর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে সম্মেলনস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে এনবিআরের প্রথম সচিব (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) এএম নুরুল হক স্বাক্ষরিত বিশেষ অফিস আদেশ জারি করা হয়।
জানা যায়, সরকার গঠনের পর এনবিআরের বিশাল কর্মীবাহিনীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সরাসরি মতবিনিময়। ফলে এবারের সম্মেলনকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো, করের আওতা সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি রোধে ডিজিটাল ব্যবস্থা জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায়ের নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং এনবিআরের সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা আসতে পারে।
এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে সম্মেলনে বিভিন্ন প্রস্তাব ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সরকারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি করদাতাদের হয়রানিও কমানো সম্ভব হবে। এ দিক থেকে এবারের রাজস্ব সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বসির আহমেদ