শনিবার (৩ অক্টোবর) নিসিনের কোরোগি স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬টি উইকেট হারিয়ে ২১১ রানের পাহাড় গড়ে তারা। জয়ের জন্য ২১২ রানের জবাবে খেলতে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত সময়ের শেষে ৬ উইকেটে ১৯২ রান তুলতে সমর্থ হয়।
ভারতের ব্যাটিং ইনিংসে মূল ভূমিকা পালন করেন অভিষেক শর্মা এবং তিলক ভার্মা। অভিষেক মাত্র ২৮ বল মোকাবিলা করে ৬১ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন, যেখানে ৩টি চার ও ৭টি ছক্কার মার ছিল। এ সময় তার স্ট্রাইক রেট দাঁড়ায় ২১৭.৮৫।
সংগ্রহের শেষভাগে তিলক ভার্মার তাণ্ডবে ভারত দলীয় রান দুই শতাধিক পার করার সুযোগ পায়। তিনি মাত্র ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া শিবম দুবে ১৫ বলে ২৭ রান এবং শ্রেয়াস আইয়ার ২৪ বলে ২১ রানের অবদান রাখেন।
পাকিস্তান শিবিরের বল হাতে আরাফাত মিনহাস ২৫ রান খরচায় ২টি এবং আহমেদ দানিয়াল ৪৩ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন। আর একটি উইকেট লাভ করেন আব্রার আহমেদ।
২১২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের সূচনা মোটেও ইতিবাচক ছিল না। দলীয় স্কোরবোর্ডে ৩৯ রান তুলতেই তারা ৩ জন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে। তবে চতুর্থ উইকেটে হাসান নওয়াজ ও সাইম আইয়ুবের কার্যকর জুটিতে ভর করে পাকিস্তান আবার জয়ের লড়াইয়ে ফিরে আসে।
পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের মূল কান্ডারী ছিলেন হাসান নওয়াজ। তিনি মাত্র ৫১ বলে ৯৬ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন, যাতে ছিল ৫টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কার মার। অপর প্রান্তে সাইম আইয়ুব ২২ বলে ২৯ রান করেন। তবে শেষরক্ষা হয়নি, ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায় পাকিস্তানের দৌড়।
ভারতের পক্ষে বোলিংয়ে সমান দুটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর ও শিবম দুবে। অক্ষর ও ওয়াশিংটন উভয়েই ৪ ওভার বল করে ২৯ রান করে দেন। অন্যদিকে শিবম দুবে ৩ ওভারে ৩৩ রানের বিনিময়ে পান ২ উইকেট। জাসপ্রিত বুমরাহ ৪ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে কোনো উইকেটের দেখা না পেলেও পাকিস্তানের রান তাড়ায় বেশ কার্যকর চাপ বজায় রাখেন।
বসির আহমেদ