মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে দিনমজুর সকলের আমিষের শেষ ভরসা ডিম। এবার ডিমের বাজারেই চড়া উত্তাপ। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও এক ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হতো ১২০ টাকা, এক লাফে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ টাকায়। ডজনপ্রতি দুশ’ টাকায় ঠেকেছে হাঁসের ডিম।
লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, কোন যৌক্তিক কারণ ছাড়াই দাম বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রায় সব ধরণের পণ্যের। খুচরো ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে ডিম কিনতে হচ্ছে তাই বেড়ে যাচ্ছে ডিমের দাম। তবে দেখা যায়, পাইকারিতে এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। খুচরো বাজারে এসে বেড়ে যাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ!
২০ টাকা বেড়ে ফার্মের মুরগীর বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা কেজি, আর সোনালী মুরগির দাম কেজি ৩২০ টাকা ।
এদিকে দাম কিছুটা কমলেও এখনও নাগালের বাইরে সবজির বাজার। ৪০০ টাকায় উঠে যাওয়া কাঁচা মরিচের দাম বেশ কমেছে। এখন বিক্রি হচ্ছে এর অর্ধেকেরও কম দামে। বেগুন, করলা ও শসার দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা কমলেও এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, খামার থেকে শুরু করে খুচরো বাজার প্রতিটি ধাপে অনিয়ন্ত্রিত হাতবদল ও সিন্ডিকেটের কারণে দাম বেড়ে যাচ্ছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন তারা।
বসির আহমেদ