জুনিয়র কিংবা সিনিয়র, কোনো পর্যায়েই এখন পর্যন্ত উজবেকিস্তানকে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। এই ম্যাচের আগে যুব দল তাদের বিপক্ষে দুটি এবং জাতীয় পুরুষ দল তিনটি ম্যাচ খেলেছে। পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই হার ছিল বাংলাদেশের।
তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের ওপর চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা। ২০ মিনিটেই এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের জটলার মধ্যে থেকে শট নেন স্বাগতিক মিডফিল্ডার কুভানিষবেক সায়দালিয়েভ। তার নেওয়া শট বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়।
গোল হজমের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি উজবেকিস্তান। প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ চালায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ব্যস্ত ছিল আক্রমণ ঠেকাতেই। তবে আর কোনো গোল না হওয়ায় এক গোলের ব্যবধানেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে উজবেকিস্তান। ৪৬ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেদ করে দুর্দান্ত এক হেডে দ্বিতীয় গোলটি করেন আব্রায়েভ কুবোঞ্চবেক।
দুই গোল পিছিয়ে পড়ার পর মাঝেমধ্যে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। এতে কিছুটা আশার আলো দেখা গেলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি লাল-সবুজের যুবারা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।
বাছাই পর্বে বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিয়া। আগামী বৃহস্পতিবার একই মাঠে সিরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে সেই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
বসির আহমেদ