ধুলাবালু, ভারী যানবাহন আর দুর্ঘটনার ঝুঁকি সঙ্গী করে প্রতিদিন এভাবেই জীবিকার সন্ধানে নামেন সোনামসজিদ স্থলবন্দরের একদল সংগ্রামী নারী।
সকাল হতেই ভারত থেকে পাথরবোঝাই একের পর এক ট্রাক প্রবেশ করে বন্দরে। আর এসব ট্রাকের চাকার পাশে পড়ে থাকা কিংবা গাড়ির খাঁজে আটকে থাকা ছোট-বড় পাথর কুড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন সেই সংগ্রামী নারীরা। সারাদিন সংগ্রহের পর সেই পাথর এক জায়গায় জড়ো করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন তারা। দিন শেষে আয় হয় মাত্র কয়েকশ টাকা।
কারও স্বামী নেই, কারও সংসারে নেই উপার্জনক্ষম মানুষ। অভাব তাদের নিত্যসঙ্গী। আর তাই ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজই তাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। এই সামান্য আয়েই কারও সংসারে জোটে দুবেলা খাবার। আবার, কারও চলে সন্তানের পড়ালেখার খরচ।
তবে প্রতিদিন ভারী ট্রাক চলাচলের মাঝখানে কাজ করতেও থাকে দুর্ঘটনার শঙ্কা। স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এই কাজের পরিবর্তে এসব নারীদের জন্য বিকল্প এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হোক।
পথে পড়ে থাকা পাথরই এই নারীদের বেঁচে থাকার পুঁজি। তবুও, ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চিত জীবিকার বদলে একটি নিরাপদ কর্মসংস্থান চান সকলেই। আর, এটাই এখন সোনামসজিদের সংগ্রামী নারীদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
বসির আহমেদ