রোববার (৪ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান। এর আগে শনিবার রাতে নোয়াখালী শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে সাকিবের মৃত্যু হয়।
নিহত সাকিব উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের মুসলিম কলোনির মৃত এরফান মিয়ার ছেল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার কাদিরহানিফ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম কলোনী এলাকায় এক প্রবাসী বন্ধু বিদেশ থেকে আসায় বন্ধুরা বাড়িতে বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করেন। পার্টিতে তারা মদের সাথে বিভিন্ন ধরণের মাদকদ্রব্য মিশিয়ে ‘ঝাক্কাস’ নামে একটি পানীয় তৈরি করে সেবন করেন। পরে রাতের খাবার ও আড্ডা শেষে তারা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান।
পরদিন শনিবার ভোর ৫টার দিকে সাকিবসহ পাঁচজন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে তাদের স্থানীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে সাকিব ও মো. টিপু নামে দুইজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের নোয়াখালীর প্রাইম হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, অসুস্থ হয়ে পড়া সাইফুল ইসলাম (২২) নামে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপর তরুণ মো. টিপু (২৪), মনির হোসেন শান্ত (২৩) ও মোহাম্মদ রাসেলকে (২৩) নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, বিষাক্ত মদপানে অসুস্থ হয়ে তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান বলেন, একাধিক মাদকদ্রব্য মিশিয়ে ‘ঝাক্কাস’ তৈরি করে পাঁচ যুবক তা পান করেন। এতে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
বসির আহমেদ