ঢাকা | বঙ্গাব্দ

হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন পাস

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Apr 7, 2026 ইং
হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন পাস ছবির ক্যাপশন:
ad728
জেল-জরিমানার বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বিলটি উত্থাপন করেন। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, নদীপথে বাধা সৃষ্টি, বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়। বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন। আইনের বিধান লঙ্ঘনে দুই বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত কোনো দণ্ড দেওয়া যাবে না। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : বসির আহমেদ

কমেন্ট বক্স
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল উপদেষ্টার সম্পদের বিবরণী প্রকাশ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল উপদেষ্টার সম্পদের বিবরণী প্রকাশ