জানা যায়, পাংশার উপজেলার জেলে জহুরুল হালদারের জালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা-যমুনার মোহনায় মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি দৌলতদিয়াঘাট বাজারের রেজাউল মন্ডলের আড়তে নিয়ে আসা হলে সেখানে ডিজিটাল ওজন স্কেলে ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন ২২ কেজি।
সেখানে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মো. সম্রাট শাহজাহান শেখ প্রতি কেজি দুই হাজার ১০০ টাকা দরে মোট ৪৬ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থানের ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে রাজশাহীর এক ব্যবসায়ীর কাছে প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন। এতে তার ৪ হাজার চারশত টাকা ব্যবসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মাছ ব্যবসায়ী মো. সম্রাট শাহজাহান শেখ জানান, পদ্মা নদীর বড় আকারের কাতল মাছের চাহিদা বাজারে সবসময়ই বেশি থাকে। ভালো দামের আশায় বড় মাছ কিনে দ্রুত বিক্রির চেষ্টা করা হয়, যা বর্তমানে অনলাইন যোগাযোগের মাধ্যমে আরও সহজ হয়েছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট বলেন, বর্তমানে ইলিশ আহরণে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা থাকায় নদীতে অন্যান্য প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়ছে। ফলে কাতল, ঢাই, বোয়াল, রুই, বাঘাইড়সহ বড় মাছ এখন বেশি ধরা পড়ছে। তিনি আরও বলেন, নদীতে স্থায়ী অভয়াশ্রম গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় আকারের মাছ পাওয়া সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা বলেন, পদ্মা নদীতে মাঝে মাঝে বড় মাছ ধরা পড়লেও এ ধরনের বিশাল আকারের কাতল সচরাচর দেখা যায় না। ফলে মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় করেন অনেক উৎসুক মানুষ।
বসির আহমেদ