সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের স্কুলপাহাড় এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে এই ঘটনা ঘটে। হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী।
নিহতরা হলেন-রুবিনা আক্তার ও তার বোন শাহিনা আক্তার। তারা উখিয়া উপজেলার হরিণমারা এলাকার বাসিন্দা জাফর আলমের মেয়ে। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত নিহত পুরুষের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। অন্যদিকে আহত তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে পারিবারিক মামলায় হাজিরা দিতে দুই বোন উখিয়া থেকে কক্সবাজার আদালতে যান। আদালতের কাজ শেষ করে বেলা দেড়টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় দুপুর দুইটার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রামুর খুনিয়াপালংয়ের স্কুলপাহাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক পুরুষ যাত্রী নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন দুই বোনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটিতে চালকসহ মোট ছয়জন যাত্রী ছিলেন।
রামু হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়াধীন।
বসির আহমেদ