তিনি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ফলেই এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। আনোয়ারের ভাষায়, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে সতর্ক ও বিচক্ষণ কূটনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার এখন বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে আলোচনার মাধ্যমে এগোনোর কারণেই।’
তবে একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের আইন মেনে চলার আহ্বান জানান আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জনসমাগমস্থল বা সড়কে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তা সহ্য করা হবে না।
তিনি জানান, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আনোয়ার বলেন, ‘এটি মালয়েশিয়া। এখানে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কারণ হতে পারে না। আইন ভঙ্গ করলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি উঠলেও এতদিন তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। কারণ, মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে রাজি ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গাদের নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় দিয়ে রাখতে হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের স্থানীয় আইন-কানুন মেনে চলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য কোনো ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।
বসির আহমেদ