প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে নান-মামবেরে আব্বা অঞ্চলে একটি খনিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া এক খনি শ্রমিক ফ্লোরিয়ান গাগুয়েন্দে জানান, ধসের পর উদ্ধারকারীরা আটকে পড়া শ্রমিকদের সন্ধানে কাজ করছেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে।
স্থানীয় উপ-প্রশাসনিক এলাকার ডেপুটি মেয়র সুলেইমান বি জানান, উদ্ধারকারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় ধসে পড়া খনি থেকে ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি ভয়াবহ। যারা এখনো খনির গর্তে আটকে আছেন এবং নিজেদের বের করে আনতে পারছেন না, তাদের উদ্ধারে বিভিন্ন সংস্থা ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহায়তা প্রয়োজন।
ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজে বিশৃঙ্খল উদ্ধার তৎপরতার চিত্র দেখা গেছে। কাদায় মাখামাখি তরুণ শ্রমিকদের মরদেহ উদ্ধারে কাজ করতে দেখা যায়। খনির বিস্তৃত এলাকায় আরও বহু শ্রমিক ও কর্মী ছড়িয়ে ছিলেন এবং কেউ কেউ সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন।
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সরকারি মুখপাত্র এভারিস্তে নগামানা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ দিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়ভাবে পরিচালিত এ ধরনের স্বল্প প্রযুক্তিনির্ভর খনিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা তুলনামূলক দুর্বল হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি থাকে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র : এএফপি
বসির আহমেদ