আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার গ্রিনিচ মান সময় সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪৩ সেন্ট বা ০.৪৫ শতাংশ কমে ৯৫.২০ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৪ সেন্ট বা ০.২৬ শতাংশ কমে ৯০.৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাতের ঝুঁকি এখনো মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এ কারণে সম্ভাব্য পরিস্থিতি এবং এর প্রভাবের দিকে সতর্ক নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। সংঘাত বাড়লে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় তেলের দাম আবারও দ্রুত বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
এদিকে তেলের বাজারে এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটির নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ প্রস্তাব দেন।
ওই পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ কারণে প্রণালিটির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করা উচিত কি না, তা নিয়ে ভাবা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের আশঙ্কা এবং প্রণালিটিকে ঘিরে ট্রাম্পের মন্তব্য—দুই বিষয়ই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন সংঘাতের গতিপ্রকৃতি এবং হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহনের পরিস্থিতির দিকে।
বসির আহমেদ