সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে উপজেলার সোনাপুর এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর ও রাঙ্গারদিয়া গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সোনাপুর বাজারে জয়নাল মোল্যার সমর্থকদের সঙ্গে রাঙ্গারদিয়া গ্রামের টুকু মাতুব্বর ও ফুকরা গ্রামের ফজলু মাতুব্বরের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ফুকরা গ্রামের ফজলু মাতুব্বরের দাবি, বিকেলে টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে চা খেতে গেলে জয়নাল মোল্যার সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালান। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এতে তাদের ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে সোনাপুর গ্রামের জয়নাল মোল্যা বলেন, ঘটনার সময় তিনি ফরিদপুরে ছিলেন। তবে তিনি জানতে পেরেছেন, তার চাচাতো ভাই ও উপজেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আরিয়ান হাসান হৃদয় সোনাপুর বাজারে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মারধর করেন। এরপরই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাদের ৯ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বসির আহমেদ