এবারের আয়োজন অ্যাপলের জন্য বাড়তি গুরুত্ব বহন করতে পারে। কারণ, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ টিম কুকের কাছ থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব জন টার্নাসের নেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ৯ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠানটি নতুন সিইওর অধীনে অ্যাপলের প্রথম বড় পণ্য উন্মোচন আয়োজন হতে পারে।
আসছে আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স আইফোন ১৮ সিরিজের প্রিমিয়াম মডেল হিসেবে আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স বাজারে আসতে পারে। গুঞ্জন অনুযায়ী, দুই মডেলেই অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে, ১২ জিবি র্যাম এবং আইওএস ২৭ থাকতে পারে।
তবে ডিসপ্লের আকার, ব্যাটারি, ক্যামেরা, স্টোরেজ ও কিছু হার্ডওয়্যার সুবিধায় দুই মডেলের মধ্যে পার্থক্য থাকবে।
আইফোন ১৮ প্রোতে ৬.৩ ইঞ্চি এবং প্রো ম্যাক্সে ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লে থাকার গুঞ্জন রয়েছে। উভয় মডেলেই ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সমর্থিত ডিসপ্লে থাকতে পারে।
স্টোরেজে বড় সুবিধা প্রো ম্যাক্সের স্টোরেজের দিক থেকেও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স এগিয়ে থাকতে পারে। গুঞ্জন অনুযায়ী, প্রো মডেলে সর্বোচ্চ ১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ থাকলেও প্রো ম্যাক্সে ২ টেরাবাইট স্টোরেজ সংস্করণ আসতে পারে।
সম্ভাব্য স্টোরেজ কনফিগারেশন আইফোন ১৮ প্রো: ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি ও ১ টেরাবাইট আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স: ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইট ও ২ টেরাবাইট ক্যামেরায় ৪৮ মেগাপিক্সেলের সমন্বয়
ক্যামেরা ক্যামেরার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের আপগ্রেডের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার মূল ক্যামেরার সঙ্গে ৪৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রাওয়াইড এবং ৪৮ মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা থাকতে পারে।
টেলিফটো ক্যামেরায় ৫x বা ৬x অপটিক্যাল জুম সুবিধা যুক্ত হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে।
অন্যদিকে আইফোন ১৮ প্রোতেও ৪৮ মেগাপিক্সেলের মূল, আলট্রাওয়াইড ও টেলিফটো ক্যামেরা থাকতে পারে। তবে এ মডেলে ৫x অপটিক্যাল জুম সুবিধা থাকার কথা শোনা যাচ্ছে।
ব্যাটারিতে বড় ব্যবধান ব্যাটারি সক্ষমতায় দুই মডেলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকতে পারে। বিভিন্ন ফাঁস হওয়া তথ্যে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৫,৫৬৭ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার এবং আইফোন ১৮ প্রোতে ৪,২৮৮ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার ব্যাটারি থাকার দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব তথ্য এখনো অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়। ফলে চূড়ান্ত ফিচার, দাম ও বাজারে আসার তারিখ জানতে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে যদি সত্যিই ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচন করা হয়, তাহলে এবারের অ্যাপল ইভেন্টটি প্রতিষ্ঠানটির পণ্য ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত আয়োজন হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি
বসির আহমেদ