কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে দেশজুড়ে তখন টানটান উত্তেজনা। দিনভর সংঘাত ও সহিংসতার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নানা সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি সামনে আসে এদিন।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া।
অন্যদিকে, হামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে আবারও রাজপথে নামে শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন জায়গায় তাদের ওপর পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের হামলা।
সহিংসতায় নিহতদের স্মরণে পরদিন সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেয় সরকার। পাশাপাশি কালো ব্যাজ ধারণের আহ্বান। তবে রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারীরা। কালোর পরিবর্তে লাল কাপড় মুখে বেঁধে ছবি তুলে অনলাইনে প্রচারে নামে তারা। স্যোশাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সেই কর্মসূচি।
২৯ জুলাইয়ের রাজপথের প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের ঐক্য এবং ধারাবাহিক কর্মসূচি আন্দোলনের বিজয়ের পথকে আরো সুদৃঢ় করে। বিশ্লেষকদের মতে, জুলাইর এই দিনগুলোই ছিল শেষ পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের সুতিকাগার।
বসির আহমেদ