ভুক্তভোগী আসাদ মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর সিঙ্গাপুরে থেকে কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি এলাকায় দুই বিঘা জমির ওপর একটি মাছের প্রকল্প গড়ে তোলেন। সম্প্রতি যশাই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রামাণিক ও সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডল দাবি করেন, তার প্রকল্পের মধ্যে ১০ শতাংশ জমি তারা কিনেছেন। এ বিষয়ে রাজবাড়ী আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।
আসাদ মন্ডলের অভিযোগ, জমির বিষয়টির পাশাপাশি তারা বিভিন্ন সময় তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে নানাভাবে হয়রানি করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার সকালে বহিরাগতদের নিয়ে তার প্রকল্পে হামলা চালিয়ে সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুকুরপাড় থেকে প্রায় ৫০ কাঁদি কলা কেটে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও হামলাকারীরা যাওয়ার সময় তাকে হুমকি দেয় এবং একই রাতে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ করেন আসাদ মন্ডল।
প্রকল্পের কর্মচারী সুমন মন্ডল বলেন, পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণে সব মাছ মারা গেছে। এতে শুধু পুকুরের মালিকই ক্ষতিগ্রস্ত হননি, এখানে কাজ করা প্রায় ২০ জন শ্রমিকও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে যশাই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান প্রামাণিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার ঘোষ জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কালাম মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
বসির আহমেদ