লিডসের হেডিংলিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রবিনসনের করা ম্যাচের প্রথম বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে যান আজান আওয়াইস। একটু পরে টাংয়ের বলে এলবিডব্লিউ হন শান মাসুদও। তৃতীয় উইকেটে ইমাম-উল-হাক ও আব্দুল্লাহ শফিক ৯১ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন টাংয়ের বলে ইমাম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৪২ করে। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। ইনিংস শেষ হয় ৬৮ ওভার এক বলে ১৭১ রানে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬১ করে যান শফিক। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সালমান আগার ব্যাট থেকে আসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান। দুই ইংলিশ পেসার রবিনসন ও টাং সমানভাবে ভাগ করেন ১০ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে রবিনসন পঞ্চমবার, টাং চতুর্থবার পাঁচ উইকেটের ‘ফাইফার’ কীর্তি গড়লেন।
ইংল্যান্ডের শুরুর জুটি ভাঙ্গে নবম ওভারে। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান বেন ডাকেট। মোহাম্মাদ আলির পরের ওভারে সালমানের হাতে ধরা পড়েন এমিলিও গে। ডাকেট ১৫, গে ৩৩ রান করেন। এরপর জর্ডান কক্স ২৩ এবং অধিনায়ক জো রুট ৩৭ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শেষ করেন। তৃতীয় উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন ৬৪ রানের জুটিতে স্কোর পৌঁছায় দুই উইকেটে ১১২-তে। এখনও ৫৯ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।
বসির আহমেদ