নিহত মোমেন মিয়া সদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে। আহতদের মধ্যে একই গ্রামের সরকারবাড়ির শহীদ মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল (৩৫)-এর পরিচয় জানা গেছে। অন্য আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদাগরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মোমেন সরকারের সমর্থকদের সঙ্গে একই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
এরই জেরে রবিবার সকাল ৯টার দিকে কাশেম মেম্বার ও ফরিদপক্ষের ২০ থেকে ২৫ জনের একটি অস্ত্রধারী দল চেয়ারম্যান-সমর্থক কৃষক মোমেন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে গুলি ছোড়ে। এতে মোমেন মিয়াসহ ছয়জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোমেন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোমেন সরকার দাবি করেন, পূর্বপাড়ার কাশেম ও দক্ষিণপাড়ার ফরিদের সমর্থকেরা একতরফাভাবে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে গুলি করেছে। তিনি বলেন, এলাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কার বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানানোয় প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে এ হামলা চালিয়েছে। তাদের লোকজন সংঘর্ষে না জড়িয়েও হামলার শিকার হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘাতে একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বসির আহমেদ