রবিবার (২ আগস্ট) ছিল প্রতিযোগিতার শেষ দিন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারত মোট ৩৯টি পদক নিয়ে পদক তালিকার চতুর্থ স্থানে ছিল। তাদের ঝুলিতে ছিল ১৩টি স্বর্ণ, ১৭টি রুপা এবং ৯টি ব্রোঞ্জ। বক্সিং, অ্যাথলেটিক্স ও ভারোত্তোলনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই এবারের আসরে ভারতের সাফল্যের মূল ভিত্তি।
পদক তালিকার শীর্ষে ছিল অস্ট্রেলিয়া। দেশটি জিতেছে ৬৬টি স্বর্ণ, ৪১টি রুপা ও ৫২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১৫৮টি পদক। দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ড (২৬ স্বর্ণ, ৪১ রুপা ও ৩৫ ব্রোঞ্জ) এবং তৃতীয় স্থানে কানাডা (১৮ স্বর্ণ, ২০ রুপা ও ২১ ব্রোঞ্জ)।
ভারতের এই সাফল্য কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। বছরের পর বছর ধরে পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ, আধুনিক অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা এবং খেলোয়াড় তৈরির সুসংগঠিত ব্যবস্থার ফল এটি। ভারত বুঝেছে, পদক কাকতালীয়ভাবে আসে না; আসে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা এবং ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে।
বসির আহমেদ