তবে ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্স দাপট দেখালেও প্রথম গোলটি পায় বেলজিয়ামই। ৩৫ মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে গোল করেন দোদি লুকেবাকিও। নিজেদের অর্ধ থেকে সতীর্থের থ্রু পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে ফ্রান্সের জালে বল জড়ান বেনফিকার এই উইঙ্গার।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ বাড়াতে থাকে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। শেষ পর্যন্ত ৭৭ মিনিটে দেজিরে দুয়ের গোলে সমতায় ফেরে ফ্রান্স। এরপর যেন গোল উৎসবে মেতে ওঠে স্বাগতিকরা। মাত্র ১৪ মিনিটের মধ্যে আরও তিনবার বেলজিয়ামের জালে বল পাঠিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে জিনেদিন জিদানের দল।
৮১ মিনিটে রায়ান শের্কির গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। এরপর ৮৮ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন মাইকেল ওলিসে। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফ্রান্সের ৪-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড।
দুই দলের প্রথম দেখায় বেলজিয়ামের মাঠে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ফ্রান্স। এবার নিজেদের মাঠেও বড় জয় তুলে নিয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে তারা।
সমান চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইতালি। ফ্রান্সের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করা ইতালির পয়েন্ট ৭। বেলজিয়াম ৬ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। চার ম্যাচের সবকটিতে হেরে নেশন্স লিগ থেকে তুরস্কের বিদায়ও নিশ্চিত হয়েছে।
বসির আহমেদ