সেখানে বলা হয়, নেপালের রসুয়া জেলার ভোতেকোশি এলাকা থেকে বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া লকারটি ধাদিং জেলার এলাকায় ত্রিশুলি নদীর কাছে লকারটি পাওয়া যায়। স্থানীয় কয়েকজন লকারটি ভেঙে নগদ টাকা নিয়ে গেছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে পর ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল পাঠায় পুলিশ। প্রাথমিক তল্লাশিতে ২৯ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বেশির ভাগই গালছি-৪-এর মাস্টার এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া গালছি-৬-এর আদমঘাট ও সিদ্ধালেক-৭-এর আদমতার এলাকার কয়েকজনও রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে ৯২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৫ নেপালি রুপি উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। উদ্ধার করা অর্থের উৎস এবং এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এর আগে নেপালে বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক নারীর মরদেহ থেকে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নেওয়ার অভিযোগে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সূত্র ধরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে হিমালয়ঘেঁষা নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও বিপুলসংখ্যক নিখোঁজ মানুষের কারণে উদ্বেগ বাড়ছে। অন্যদিকে, চীনের তিব্বত অঞ্চলেও প্রাণহানি ও নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে।
বসির আহমেদ