চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, গত ৩০ আগস্ট রাতে সাতকানিয়ার পুরানগড় ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর মামলার আসামিরা এলাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। পরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে সোমবার এই মামলার আরও ১০ আসামীকে গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহিদুল ইসলাম বাজালিয়া থেকে বন্ধু মোহাম্মদ ওয়াহিদকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ পুরানগড় গ্রামের ফরিদ সওদাগরের দোকানের সামনে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গতিরোধ করে। এ সময় হামলাকারীরা জাহিদুলকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার বন্ধু ওয়াহিদও হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাহিদুলকে উদ্ধার করে উপজেলার কেরানিহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পাঁচ দিন পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সাতকানিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, জাহিদুলের বিরুদ্ধে হত্যা, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।
বসির আহমেদ