সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয় ঐতিহাসিক লিমোগেস টাউন হল। ১৪৩ বছরের পুরোনো এই ভবনে আগুন লাগানো হলে অনেক অংশ সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। এছাড়া মার্সেইলি সিটি হল, লিলি সিটি হল ও লিও টুরিস্ট অফিসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় লুটপাট চালিয়ে আগুন লাগানো হয়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স ২৪ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আট বছর আগে জ্বালানি কর বাড়ানোর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সরকারের বিপক্ষে রাস্তায় দেখা গিয়েছিলো ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন। তারাই শনিবারের এই ‘ইয়েলো অ্যান্ড ইয়ুথ’ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। তবে প্যারিসের মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ার জোর দিয়ে বলেছেন, "বিক্ষোভকারীদের সিংহভাগই" চেয়েছিলেন চশান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করতে, কিন্তু ভাঙচুরের ঘটনা তাদের এই প্রতিবাদকে কলঙ্কিত করছে।
এদিকে উগ্র বামপন্থী দল ফ্রান্স আনবুভের নেতা জ্যঁ-লুক মেলঁশো শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে তিনি বিক্ষোভকারীদের লুটপাট থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ফ্রান্সের উগ্র বাম ও উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলো এই আন্দোলনকে নিজেদের অবস্থানের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন অনেকে।
বসির আহমেদ