এর আগে সাতক্ষীরা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জেলার বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন, সুধীজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘দিনে বিএনপি, রাতে গুপ্ত ষড়যন্ত্র করে বিএনপির প্রার্থীদের হারানো হয়েছিল।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের এখানে মিটিং করতে আসার আগে কিছু হোমওয়ার্ক করে এসেছি। চারজন এমপিকে হারানোর পেছনে আপনারা মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে সবার আমলনামা আছে। যদি জানতে চান, নিশ্চয়ই এই আমলনামা নিয়ে সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান আমি কথা বলতে পারি। দিনে এসে বিএনপি করে গেছেন, রাতের অন্ধকারে গুপ্তদের সঙ্গে মিটিং করেছেন।’
দলের মধ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিএনপি ও তারেক রহমানের বিএনপি করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে। নির্বাচনের সময় দল একজনকে মনোনয়ন দিলে তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। আর যদি সেটা না করেন, আপনার সারা জীবনের অর্জন ওইখানেই ধ্বংস হয়ে যাবে। রাজনীতি খুব নিষ্ঠুর জায়গা।’
চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়- এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো নেতা-কর্মী যত ত্যাগী বা দলের প্রতি যতটা নিবেদিতই হোন না কেন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি কিংবা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মতো কাজে জড়ালে তাঁকে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।
বসির আহমেদ